Tag: Awareness

  • জনসংখ্যা ও দুর্নীতি: সংখ্যার ছায়ায় ন্যায়ের সংকট

    জনসংখ্যা ও দুর্নীতি: সংখ্যার ছায়ায় ন্যায়ের সংকট

    Awareness purpose only

    ভূমিকা:
    ভারতবর্ষে জনসংখ্যা ও দুর্নীতি—দুটি শব্দ, দুটি বাস্তবতা, কিন্তু কি এরা একে অপরের পরিপূরক?
    এই প্রশ্নটাই আমাদের ভাবতে বাধ্য করে।
    যেখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি একটি প্রাকৃতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ, সেখানে দুর্নীতি একটি নৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যর্থতা।
    কিন্তু এই দুটি সমস্যা কি একে অপরকে উৎসাহিত করে?
    এই লেখায় আমরা সেই সম্পর্ক, প্রভাব এবং সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে যুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণ করব।


    👥 জনসংখ্যা: সংখ্যার শক্তি না দুর্বলতা?

    ভারতের জনসংখ্যা ১৪০ কোটিরও বেশি।
    এই বিপুল সংখ্যক মানুষ যদি শিক্ষিত, সচেতন ও কর্মক্ষম হয়, তাহলে এরা জাতির শক্তি।
    কিন্তু যখন—

    • শিক্ষা সীমিত,
    • স্বাস্থ্যসেবা দুর্বল,
    • কর্মসংস্থান অনিশ্চিত—
      তখন এই সংখ্যা হয়ে ওঠে চাপ, প্রতিযোগিতা, এবং অসন্তোষের উৎস।

    এই পরিস্থিতিতে মানুষ জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণে বাধ্য হয় সংক্ষিপ্ত পথ বেছে নিতে—যা দুর্নীতির দিকে ঠেলে দেয়।


    💰 দুর্নীতি: সুযোগের অভাবে অন্যায়ের পথ

    দুর্নীতি কেবল অর্থের লেনদেন নয়, এটি একটি মনোভাব—যেখানে মানুষ বিশ্বাস করে, “সিস্টেমে কিছুই সম্ভব নয়, যদি না ঘুষ দাও।”
    এই বিশ্বাস জন্ম নেয় যখন—

    • সরকারি পরিষেবা ধীর,
    • বিচারব্যবস্থা জটিল,
    • এবং জনসংখ্যার চাপ প্রশাসনকে দুর্বল করে তোলে।

    অধিক জনসংখ্যা মানে অধিক আবেদন, অধিক দাবি, এবং অধিক অসন্তোষ।
    এই চাপের মধ্যে দুর্নীতি হয়ে ওঠে ‘সমাধানের’ সহজ পথ।


    🔗 সম্পর্ক: জনসংখ্যা কি দুর্নীতিকে বাড়ায়?

    তথ্য ও যুক্তি বলছে—

    • অধিক জনসংখ্যা প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করে।
    • দুর্বল প্রশাসন দুর্নীতিকে উৎসাহ দেয়।
    • দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হয়, এবং অসন্তোষ বাড়ে।
    • অসন্তোষ থেকে জন্ম নেয় সামাজিক অস্থিরতা, যা আবার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করে।

    এটি একটি চক্র, যেখানে জনসংখ্যা ও দুর্নীতি একে অপরকে পুষ্ট করে।


    🧠 সমাধান: যুক্তি, শিক্ষা ও নীতির পুনর্গঠন

    এই সমস্যার সমাধান কোনো একক পদক্ষেপে সম্ভব নয়।
    প্রয়োজন সমন্বিত, যুক্তিনির্ভর ও নৈতিক পদক্ষেপ—

    1. শিক্ষা:
    • জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা
    • নৈতিক শিক্ষা ও নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা
    1. প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতা:
    • ডিজিটাল প্রশাসন, যাতে ঘুষের সুযোগ কমে
    • তথ্যের সহজপ্রাপ্যতা, যাতে মানুষ জানে তারা কী পাওয়ার অধিকার রাখে
    1. আইন ও শাস্তি:
    • দুর্নীতির বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার
    • জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে উৎসাহমূলক নীতি (যেমন: শিক্ষিত দম্পতির জন্য কর ছাড়)

    উপসংহার:

       বিজনসংখ্যা ও দুর্নীতি—দুটি সমস্যা, কিন্তু একটি জাতির ভবিষ্যতের জন্য একত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
    এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের প্রয়োজন যুক্তি, নৈতিকতা, এবং সাহস।
    যদি আমরা সংখ্যাকে শক্তিতে রূপান্তর করতে পারি, এবং দুর্নীতিকে ন্যায়ের আলোয় পরাজিত করতে পারি—তবে ভারতবর্ষ সত্যিই উন্নত হবে।

    𝓫𝔂 : 𝒜𝓈𝒽𝒾𝓈𝒽 𝒞𝒽𝒶𝓀𝓇𝒶𝓫𝓸𝓇𝓉𝓎 ✍🏾📚⋆。˚.

    writter ✒️ – Ashish Chakraborty, MSW, MA (P Sci) | Blog & Articule Writer• Literary Artist • Digital Content writter

  • ✶ Help the People to Help Themselves — A Principle That Works on the Ground

    As someone deeply rooted in voluntary social service, I’ve come to believe that the most powerful principle in social work is simple yet transformative:


    “Help the people to help themselves.”

    My Faith (Image source:Self generate)

    I first encountered this principle during my BSW/Master in Social Work studies (2010–2015), and while I may have forgotten much of the academic content, this one idea stayed with me. Over the years, I’ve seen how it works—not just in theory, but in the real world, especially in the grassroots context of Assam.

    Why This Principle Matters ?

    This principle shifts the focus from charity to empowerment. It doesn’t treat people as passive recipients of aid, but as active participants in their own progress. It respects their dignity, their potential, and their right to shape their future.

    In my experience, when communities are given the tools, knowledge, and space to act, they respond with resilience and creativity. Whether it’s environmental awareness, poverty alleviation, or social education—solutions become sustainable only when people own them.

    Practical Effectiveness in Grassroots Work

    In Assam’s diverse regions, I’ve seen firsthand how this principle translates into action:

    • Awareness drives that help villagers understand their rights, health, and environment.
    • Community-led initiatives where local volunteers take charge of sanitation, education, or cultural preservation.
    • Information sharing that enables people to access government schemes without dependency.
    • Strategic guidance that helps youth and families solve problems without waiting for external aid.

    Often, we assume funding is the key to impact. But I’ve found that strategy, awareness, education, and proper information can solve nearly 60% of social problems—without money. What’s needed is committed human energy, not just financial resources.

    My Stand and Invitation

    I humbly declare:
    If ever my voluntary social service becomes entangled with personal economic or political interests, I invite you to openly boycott me and hold me accountable. My commitment to this principle is firm. If I deviate, question me, stop me, and reject me.

    Currently, I bear small costs personally, but I do not believe in dependency. I believe in self-dependency and people’s rights. That’s why we are moving forward—without any external fund, but with full faith in voluntary manpower.

    We welcome anyone who shares this vision. Even 400 hours a year, from your own place, can make a meaningful contribution.

    Let us build a movement where service is not about control, but about liberation.
    Let us help people help themselves—and in doing so, help society heal itself.

  • ✦ রাজমিস্ত্রি থেকে চিকিৎসক: শুভমের অদম্য স্বপ্নযাত্রা !

    Ashish Chakraborty
    MSW (Specialization: Human Rights), MA
    Writer | Blogger | Digital Content Writter

    Curtsey to the real owner of image (Kolkata express) of the photo


    ভূমিকা
    স্বপ্ন দেখা সহজ, কিন্তু সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া এক কঠিন লড়াই। দারিদ্র্য, অভাব আর সামাজিক বাঁধা প্রায়শই তরুণদের স্বপ্নকে চাপা দেয়। কিন্তু কেউ কেউ আছেন, যারা প্রতিটি শিকল ভেঙে নিজেদের ভাগ্যকে নতুন করে লেখেন। শুভমের গল্প তেমনই এক জীবন্ত উদাহরণ।

    শৈশব ও সংগ্রামের শুরু

    শুভমের পরিবার ছিল দরিদ্র। সংসারের ভরণপোষণের জন্য ছোটবেলাতেই তাকে রাজমিস্ত্রির কাজে নামতে হয়েছিল।
    দিনভর সূর্যের নিচে ইট–বালির ধুলোয় খেটে যাওয়া, আর রাতে ক্ষুধার্ত শরীর নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া—এই ছিল তার জীবন।

    তার চোখে একটাই স্বপ্ন—একদিন চিকিৎসক হবে, মানুষের জীবন বাঁচাবে।

    অধ্যবসায়ের পথে

    ✶ রাতের পর রাত জেগে পড়াশোনা করেছে।
    ✶ দিনে রাজমিস্ত্রির কাজে পরিশ্রম করেছে।
    ✶ প্রতিটি পয়সা জমিয়ে বই কিনেছে।

    অসংখ্যবার হাল ছাড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলেও শুভম বিশ্বাস হারায়নি।
    তার মনে গেঁথে ছিল—“দারিদ্র্য আমার জন্মদোষ নয়, কিন্তু স্বপ্ন হার মানালে তা আমার অপরাধ।”

    সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে

    আজ শুভম চিকিৎসক হওয়ার দ্বারে।
    রাজমিস্ত্রির হাত, যে হাত একদিন দেয়াল তুলত, আজ সেই হাতই মানুষকে সুস্থ করবে।
    এটা শুধু এক ব্যক্তির সাফল্য নয়—এটা অসংখ্য সাধারণ তরুণের আশা ও বিশ্বাসের প্রতীক।


    অনুপ্রেরণা

    শুভম প্রমাণ করেছে—
    ✦➔ পরিস্থিতি যতই প্রতিকূল হোক না কেন, অধ্যবসায় আর বিশ্বাস থাকলে অসম্ভব বলে কিছু থাকে না।

    এই গল্প প্রত্যেক স্বপ্নবাজ তরুণের জন্য এক প্রেরণা।
    তুমি যে-ই হও, যে অবস্থাতেই থাকো, যদি সত্যিই বিশ্বাস রাখো তবে ভাগ্যকে নতুন করে লেখা যায়।

    উপসংহার

    শুভমের জীবন আমাদের শেখায়—
    ঘাম, শ্রম আর সংকল্পই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়।
    রাজমিস্ত্রি থেকে চিকিৎসক হওয়ার যাত্রা শুধু তার ব্যক্তিগত বিজয় নয়, সমগ্র সমাজের জন্য এক আলোকবর্তিকা।

    তুমি তোমার স্বপ্ন আঁকড়ে ধরো।
    একদিন তুমিও লিখবে নিজের অদম্য কাহিনি।

    𝒜𝓈𝒽𝒾𝓈𝒽 𝒸𝒽𝒶𝓀𝓇𝒶𝓫𝓸𝓇𝓉𝓎𓃮ᝰ.✍🏻

  • “নেপাল: ইতিহাসের নতুন অধ্যায়”

    Peace & Prosperity

    শুরু হয়েছিল একটি সামাজিক মিডিয়া নিষেধাজ্ঞার অভিযোগ থেকে, যেটি একাধিক জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব নিয়ে পরিবেশ তৈরী করেছিল।

    আন্দোলন কিছুদিনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে—“Gen Z” নাম ধরে — যেখানে তরুণরা রাস্তায় নামে, নাগরিকরা তাদের ঘরবাড়ি, সরকারি ও রাজনৈতিক ভবন লক্ষ্য করে প্রতিবাদে অংশ নেয়।

    উত্তেজনা পৌঁছে যায়; পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়, নিরাপত্তা বাহিনী রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে, অনেকই আহত হয়, কিছু মৃত্যুও হয়।


    সরকার পতন ও নতুন সরকার গঠন

    এই আন্দোলন শেষে, প্রধানমন্ত্রী কে.পি. স্মার্ধা ओली পদত্যাগ করেন।

    প্রায় পরের দিনই সুশীলা কার্কি, নেপালের প্রাক্তন বিচারপতি ও সর্বপ্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন, একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করতে, প্রেসিডেন্ট রম চন্দ্র পাওদেল কর্তৃক আদালতি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শপথ গ্রহণ করেন।

    সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং নতুন সাধারণ নির্বাচন নির্ধারিত হয় ২০২৬ সালের ৫ মার্চ।


    শপথ গ্রহণ ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম নির্দেশিকাসমূহ

    শপথ গ্রহণ হয়েছিল প্রেসিডেন্ট প্যাদেল কর্তৃক, অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারিত হয় রাস্তাঘাটে ধ্বংসপ্রাপ্ত “ছিটাল নিভাস” প্রেসিডেন্সিয়াল ভবনের সামনে থেকেই।

    নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের মন্ত্রিসভায় হাই-প্রোফাইল কিছু নাম স্থান পেয়েছে, যারা সরকারের রাজনীতিতে পরিচিত সন্দেহ কম, দুর্নীতি বিরোধী বিদ্বত্তা আছে:

    1. রামেস্বর প্রসাদ খানাল (Finance Minister) — প্রাক্তন অর্থ সচিব, অর্থনীতিতে সংস্কার বিধানের অভিজ্ঞ।


    2. কুলমান ঘিসিং (Energy Minister) — বিদ্যুৎ ও সুবিধাদি ব্যবস্থাপনায় পরিচিত, লোডশেডিং সমস্যা মোকাবেলায় তার কাজের রেকর্ড আছে।


    3. ওম প্রকাশ আর্য্যাল (Home Minister) — মানবাধিকার আইনজীবী, জন-নাগরিক অধিকার ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কাজ করে আসছেন।

    তার সরকার “দুর্নীতি বন্ধ করা, সুশাসন নিশ্চিত করা, ও আর্থ-সামাজিক সমতার দিকে কাজ করা” এই লক্ষ্যগুলির কথা উচ্চারণ করেছে এবং জনতার অভাবনীয় আস্থা ফেরত আনতে প্রতিশ্রুতি নিয়েছে।


    বলিষ্ঠ প্রতিশ্রুতি ও প্রতীকী পদক্ষেপ

    কার্কি ঘোষণা করেছেন, যারা আন্দোলনে নিহত হয়েছেন তাদের “শহীদ” বা মার্টির মর্যাদা দেওয়া হবে।

    নিহত পরিবারের প্রতি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।


    বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

    নিচের বিষয়গুলো ভালোভাবে না মোকাবিলা করলে অন্তর্বর্তী সরকারের এই শুরুটা দ্রুত ধূলিসাৎ হতে পারে:

    নির্যাতন, দমন ও বিচারবিভাগীয় স্বচ্ছতার অভাব: আন্দোলন চলাকালীন ঘটনাগুলোর তদন্ত এবং দোষীদের জন্য বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। জনতার অভিযোগ রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী অতিরঞ্জিতভাবে কাজ করেছে।

    অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষয়ক্ষতি: দোকানপাট ধ্বংস, অবকাঠামোগত ক্ষতি, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা। যৌবন অর্থনীতি চাহিদা রাখে, আর তাৎক্ষণিক প্রভাব কাটিয়ে উঠতে বড় পরিকল্পনা দরকার।

    নির্বাচন ও রাজনৈতিক উত্তরণ: নির্বাচন নষ্ট হবে না, স্বচ্ছভাবে হবে কি না, পুরাতন রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যেস পরিবর্তন হবে কি না, তা দেখার বিষয়।

    সাধারণদের আস্থা ও অংশগ্রহণ: সরকারের সিদ্ধান্ত, বিষয়গুলি খোলাখুলিভাবে আলোচনা করা হবে কি না, Gen Z ও আন্দোলনকারীদের কথা শোনা হবে কি না—এই জিনিসগুলো আস্থা গড়তে খুব গুরুত্বপূর্ণ।


    উপসংহার

    নেপালের এই মুহূর্তটা শুধু ক্ষমতার বদল নয়—এটা একটি সুযোগ, একটি পরীক্ষা।
    সুশীলা কার্কির শপথ গ্রহণ ও অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন প্রমাণ করে যে, মানুষের শব্দ উঠতে পারে, পরিবর্তন আসতে পারে। সাহস ছিল, জনআন্দোলন ছিল, দাবি স্পষ্ট ছিল: দুর্নীতি-বিরোধ, স্বচ্ছতা, ওয়ার্থ পালন ও বিপরীতে দাঁড়ানো।

    তবে এই সব শুধু শুরু; প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে। মানুষের মৃত্যুর ক্ষত, সরকারি দোষগুলো, ভবিষ্যৎ নির্বাচন ও দমন নীতি—এসবের বিচার হবে সময়ের ফাঁকে।

    নেপাল এখন একটি নতুন অধ্যায়ের মুখে। যদি প্রশাসন, রাজনীতি ও জনগণ মিলেমিশে কাজ করতে পারে, তবে এই অধ্যায় হবে পরিবর্তনের ইতিহাসের একটি স্থায়ী পাতা।

    Disclaimer: This content is for educational and informational purposes only. Sources are based on publicly available data and knowledge.”

  • “Breaking the Stigma: Depression কে নতুন দৃষ্টিতে দেখা এবং সুস্থতার যাত্রা”


    🔹 Introduction

        আমাদের সমাজে এখনো অনেকেই ভাবে Depression মানে শুধু মন খারাপ বা negative thinking। কিন্তু সত্য হলো—এটি একটি Medical Illness, যেমন Diabetes বা High Blood Pressure। মানসিক অসুখ হলেও এর প্রভাব পড়ে আমাদের Daily Lifestyle, Physical Health, Relationship, Productivity—সবকিছুর ওপর।

         Education & Awareness Purpose Only

    সঠিক সময়ে বুঝতে পারলে এবং চিকিৎসা নিলে Depression থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। তাই এটি নিয়ে Awareness তৈরি করা খুবই জরুরি।

    🌍 Global এবং Indian Perspective

    WHO অনুযায়ী, পৃথিবীতে প্রায় 280 Million মানুষ Depression-এ আক্রান্ত।

    প্রতি বছর ৫% প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এই অসুখে ভোগেন।

    Women are 1.5 times more vulnerable than men.

    ভারতে প্রায় ৭৫% রোগী Proper Treatment পান না, কারণ Stigma এবং Lack of Awareness।
    👉 অর্থাৎ, অনেকেই নীরবে লড়াই করছেন কিন্তু চিকিৎসা নিচ্ছেন না।

    ⚠ Depression কীভাবে আমাদের জীবনে প্রভাব ফেলে?

    ✶ Depression affects Mind + Body + Lifestyle একসাথে।

    1. Mental Health Impact

    Persistent sadness, hopelessness

    Motivation কমে যাওয়া

    Concentration হ্রাস


    2. Lifestyle Impact

    Hobby বা Daily Work-এ Interest হারানো

    Social Interaction এড়িয়ে চলা

    Productivity কমে যাওয়া


    3. Physical Health Impact

    Sleep Disorder (Insomnia বা Hypersomnia)

    Appetite Change (খাবার বেড়ে/কমে যাওয়া)

    Fatigue, Weakness

    Long-term ঝুঁকি: Heart Disease, Obesity, Weak Immune System


    4. Social Relationship Impact

    Family Conflict

    Work Performance খারাপ হওয়া

    Isolation এবং একাকীত্ব


    💡 সহজ ভাষায়, Depression পুরো মানুষটাকে মানসিক, শারীরিক এবং সামাজিকভাবে আঘাত করে।

    🕰 কেন এবং কখন শুরু হয়?

    Depression সাধারণত শুরু হয় Late Teens বা Early Adulthood-এ।

    Common Causes:

    Stressful Life Events (Job Loss, Relationship Breakup, Family Pressure)

    Trauma বা প্রিয়জন হারানো

    Chronic Illness

    Hormonal Imbalance

    Genetic History

    কখনো একেবারে কোনো কারণ ছাড়াই


    👉 এটিকে কখনোই দুর্বলতা ভেবে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়—It is a Health Condition।

    🔍 Symptoms: কীভাবে চিনবেন?

    Depression-এর সাধারণ লক্ষণগুলো হলো—

    Persistent Sadness বা Emptiness

    কাজকর্মে আগ্রহ হারানো

    Sleep Problem (ঘুম না আসা বা অতিরিক্ত ঘুম)

    Appetite Disorder

    Fatigue, Low Energy

    মনোযোগের অভাব

    অপরাধবোধ, worthlessness

    Extreme Case: Thoughts of Self-harm or Suicide


    ⚠ যদি এই Symptoms দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকে, তবে অবশ্যই Professional Help নিন।

    🌱 Treatment & Control (চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণ)

    Good News → Depression is Treatable.

    1. Professional Treatment
    Psychotherapy (যেমন CBT, Interpersonal Therapy)
    Psychiatrist এর Prescribed Medication (Antidepressants)


    2. Healthy Lifestyle
    ✓ Proper Sleep
    ✓ Regular Exercise বা Yoga
    ✓ Balanced Diet
    ✓ Alcohol/Drug Abuse এড়িয়ে চলা

    3. Emotional & Social Support

    Family/Friends-এর সাথে খোলামেলা কথা বলা

    Support Group Join করা


    4. Stress Management

    Meditation, Mindfulness

    Journaling, Deep Breathing


    5. Early Action
    যত দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হবে, তত দ্রুত Recovery সম্ভব।

    💡 কেন Awareness জরুরি?
    Depression নিয়ে এখনো সমাজে Stigma আছে। অনেকেই ভাবে এটা Character Weakness। এর ফল হলো মানুষ চিকিৎসা নেয় না।

    👉 যেমন আমরা Diabetes বা Asthma-তে আক্রান্ত কাউকে দোষ দিই না, তেমনই Depression-কেও দোষ দেওয়া উচিত নয়। Awareness, Compassion এবং Support দিয়েই মানুষকে সাহায্য করা সম্ভব।

    Conclusion
    Depression একটি Real, Common and Treatable Illness। এটি শুধু মন খারাপ নয়—এটি শরীর, মনের পাশাপাশি সামাজিক জীবনকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তবে সঠিক চিকিৎসা, Healthy Lifestyle এবং Support থাকলে এই অসুখ থেকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ হওয়া সম্ভব।

    💚 মনে রাখবেন:
    “Asking for help is not weakness, it is the bravest step towards healing.”


    ✍ Author
    Ashish Chakraborty | MSW (Human Rights), MA.  Author • Blogger • Writer • Social Worker • Digital Creator

    Disclaimer: এই আর্টিকেল শুধুমাত্র Educational ও Awareness Purpose এর জন্য লেখা।
    Sources: WHO, Mayo Clinic, PubMed। 🧑🏼‍⚕️চিকিৎসার জন্য অবশ্যই Qualified Psychiatrist বা Psychologist-এর পরামর্শ নিন।

    Just for awareness purpose only

Design a site like this with WordPress.com
Get started